আশা জাগালেন বুমরা

                                                ছবিঃ বুমরা


গত রাতে ১২ বলে পাঞ্জাবের দরকার ছিল ২৩ রান। উইকেটে ৯৩ রানে অপরাজিত ছিলেন কে এল  রাহুল। বুমরার তৃতীয় বলটাই যেন বদলে দিল ম্যাচের রং। অফ স্টাম্পের বাইরে ওভারপিচড বলটা লং অফ দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে রাহুল ধরা পড়লেন বেন কাটিংয়ের হাতে। ৯৪ রানে ফেরার কষ্টের চেয়ে বেশি তাঁর কষ্ট তখন ম্যাচটা শেষ না করে আসতে পারা। রাহুলকে তো ফিরিয়েছেনই, ১৯তম ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ম্যাচটা নিজেদের টেনেও এনেছেন বুমরা। স্নায়ু আর স্কিলের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল  ১৭ রান । আর তুলতে পারেনি পাঞ্জাব। জয়ের হাসি হেসেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ।

ম্যাচটা হারলেই কিন্তু বিদায় নিশ্চিত হয়ে যেত মুম্বাইয়ের। স্বাগতিক দলের বিদায়ের ঘণ্টা যেন ওয়াংখেড়ের দর্শকেরা শুনতে পারছিল নবম ওভারেই, তাই যখন ৭১ রান তুলতে ৪ উইকেট নেই মুম্বাইয়ের। পঞ্চম উইকেটে ৩৬ বলে ৬৫ রানের জুটি গড়ে মুম্বাইকে টেনে তুলেছেন কাইরন পোলার্ড-হার্দিক পান্ডিয়া। ২১৭.৩৯ স্ট্রাইকরেটে ২৩ বলে পোলার্ডের ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংসটা পাঞ্জাবের কাছে শেল হয়ে বিঁধলেও মুম্বাইয়ের কাছে ছিল সেটি আশার সলতে। পান্ডিয়ার ২৩ বলে ৩২ রানের ইনিংসটা খুব বড় না মনে হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় অবশ্যই মহামূল্যবান।আবার  পোলার্ড-পান্ডিয়ার অসাধারণ ব্যাটিং ৮ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দিয়েছে মুম্বাইকে।

তাছাড়া , এই চ্যালেঞ্জিং স্কোরটাই কিনা মামুলি মনে হচ্ছিল পাঞ্জাবের কাছে, যখন দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে রাহুল-অ্যারন ফিঞ্চ ৭৪ বলে ১১১ রানের লম্বা এক জুটি গড়লেন। ৪৬ রানে ফিঞ্চ ফিরলেও রাহুল এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে, এগোচ্ছিলেন দলকে জয়ের প্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

সব এলোমেলো হয়ে গেল বুমরার সেই ওভারে। টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেও যে কখনো কখনো নায়ক হওয়া যায় না, ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রাহুলকে সেটিই বুঝিয়ে দিলেন বুমরা!
Share on Google Plus
Share this On Social Media
    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment